পোস্টগুলি

তা-ধিন তা-ধিন (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
তা-ধিন তা-ধিন ============== মোঃ রহমত আলী ============== তা ধিন- ধিন ধিন গেয়ে গান অনন্য ঢোল-তবলা ধন্য। ধিন ধিন- তা ধিন ঢোলের তালে মিলে আহা সুর কী সুমধুর। তা ধিন- ধিনা ধিন সুরে-সুরে বাঁশি বাজে মনে-মনে জাগে সুর। ধিনা ধিন- তা ধিন তবলার মধুর তালে নাচে মন তালে-তালে। ১৯.০৭.২০২৬

اردو شاعری۔

ছবি
صبح ابھی دور ہے  شام ابھی آندھی ہے  رات ابھی باقی ہے۔ ( محمد رحمت علی ) 17.07.2026 : উর্দু উচ্চারণ সুব্হ্ আভী দূর হ্যায়  শাম্ আভী আনধী হ্যায়  রাত্ আভী বাকী হ্যায়। : বাংলা অনুবাদ সকাল এখনো দূরে আছে সন্ধ্যা এখনো ঝড় (ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ) আছে রাত এখনো বাকি আছে। মোঃ রহমত আলী ১৭.০৭.২০২৬ ​غم نہیں مجھے کوئی تیرے اس ستم پہ خوش نصیبی اب کے جو راستہ دکھلایا تو نے مسکراؤں اپنے قتلِ خونِ جگر پہ ۔ ( محمد رحمت علی ) 15.07.2026 উর্দু উচ্চারণ : গাম্ নাহিঁ মুঝে কোঈ তেরে ইস সিতাম্ পে  খুশ-নাসীবি আব কে জো রাস্‌তাহ্ দিখলায়া তূনে  মুস্কুরাউঁ আপনে কাত্‌লে-খূনে-জিগার পে। বাংলা অনুবাদ : কোনো দুঃখ নেই আমার তোমার এই অত্যাচারে, সৌভাগ্য এবার যে (আসল) পথটি দেখালে তুমি, হাসছি নিজের কলিজার রক্তের খুনের (ধ্বংসের) ওপর।” মোঃ রহমত আলী ১৫.০৭.২০২৬ اشارہ ادھر ہے پر نظارہ اُدھر ہے تراشا نگاہ ہے پر پیاسا سمندر ہے۔ (محمد رحمت علی) 20.05.226 উর্দু উচ্চারণ :   ​ইশারা ইধার হ্যায় পার নাজারা উধার হ্যায় তরাশা নিগাহ হ্যায় পার পিয়াসা সামান্দার হ্যায়। বাংলা অনুবাদ :    ​ইশ...

ধুর (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
ধুর ============== মোঃ রহমত আলী ============== ধুর বাকি আর ক’দিন চলছে চলেই যাবে ছায়ার জন্য ছাই মিছে মায়া! ধুর বেকার সুখের আশা দুঃখটাই আপন লেখা আয়নার ভেতর চাঁদ দেখা! ধুর বোকার স্বর্গে বাস সূর্যের খোঁজে অন্ধ আজ পথের পাথরে সাজানো তাজ! ধুর স্বপ্নগুলোই বৃথা বাস্তবে নক্ষত্র ধরা ধুলা যত্তসব ধোঁয়া ধোঁয়া ধোঁকা! ১৭.০৭.২০২৬

হে মজলুম (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
হে মজলুম ============== মোঃ রহমত আলী ============== হে মজলুম, উঠে দাঁড়াও, হাল ধরো, পাল তোলো, হিম্মত করে এগিয়ে চলো, তুমিই হবে সময়ের শ্রেষ্ঠ বীর। হে মজলুম, নও তুমি মুজরিম, হিকমত ধরে, হিম্মত করে, চলো হক পথে সৎভাবে, তুমিই পারবে প্রতিবাদ করতে। হে মজলুম, হও আগুয়ান, বেঁধে বুকে বল, মুছে আঁখিজল, রুখে দাও জালিমের জুলুম, তুমিই পারবে প্রতিরোধ করতে। হে মজলুম, নও তুমি দুর্বল, ভয় নেই, ডর নেই, জয় তোমার, ভেঙে দাও অন্যায়ের শৃঙ্খল, তুমিই হবে একদিন বিজয়ী। ১৬.০৭.২০২৬

জেগে আছি জেগে রবো (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
জেগে আছি জেগে রবো =================== মোঃ রহমত আলী =================== আমি জেগে আছি জেগে রবো, চিরনিদ্রার আগ পর্যন্ত। আমি লড়াকু, লড়ে যাবো আজীবন ন্যায়ের পক্ষে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে জীবনপ্রদীপ নিভে যাওয়া পর্যন্ত। আমি হুংকার দিয়ে বলে যাবো সদা সত্য, জান যদি যায় তবে যাক; আমি লিখে যাবো তবু চোখে দেখা সত্য। আমি মিথ্যার কাছে হেরে গেলেও করবো না কভু জালিমের কাছে মাথা নত। আমি সত্যের তুলিতে এঁকে যাবো মজলুম হয়েও জুলুমের প্রতিবাদী গল্প। পরোয়া করি না আমি কোনো হামলা-মামলা, সততাই সাথী মোর শেষ নিঃশ্বাস অবধি। ১৪.০৭.২০২৬

আমার আমি কই? (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
আমার আমি কই? =============== মোঃ রহমত আলী =============== ধার্মিকও নই অধার্মিকও নই ধর্ম মতে আমার কর্ম কই? স্থায়িত্বও নেই অস্থায়িত্বও নেই অস্তিত্ব যা আমার তা কই? অহিংসাবাদীও নই হিংসাপরায়ণও নই ন্যায়নীতি যা আমার কই? ধৈর্যশীলও নই অধৈর্যশীলও নই সহনশীলতা আমার কই? দায়িত্বশীলও নই দায়িত্বহীনও নই দায়-দায়িত্ব যা আমার কই? কৃতজ্ঞও নই অকৃতজ্ঞও নই কৃতজ্ঞতা যা আমার কই? স্বার্থহীনও নই স্বার্থপরও নই পরোপকারিতা আমার কই? স্বাধীনও নই পরাধীনও নই  স্বকীয়তা যা আমার কই? মানবিকও নই অমানবিকও নই মনুষ্যত্ব যা আমার কই? আমিও নেই তুমিও নেই আমাদের আমিটা কই? ০৯.০৭.২০২৬

গোল (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
গোল ============== মোঃ রহমত আলী ============== এ কী হট্টগোল বড্ড গণ্ডগোল দাদুর টাকে পড়ল ফুটবল। আহা লাল কার্ড বাহ্ হলুদ কার্ড দাদু রেগে মারলো বল। গোল গোল গোল দাদুর হেডে গোল বিশ্বকাঁপানো ফুটবল। ০৭.০৭.২০২৬

হাঁক (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
হাঁক ============== মোঃ রহমত আলী ============== কথায় কথায় লাফালাফি, তালে তালে নাচানাচি! গোয়াল ঘরে ছাগল বেঁধে, পাগল হয়ে মাতামাতি। ঘোড়ার ডিম, ঘোড়ার ডিম, হাতির হলো কবে শিং! জেগে জেগে স্বপ্ন হাজার, ঘুমের ঘোরে সোনার ডিম। সোনার হরিণ, সোনার হরিণ, আবোল-তাবোল বাড়াবাড়ি! বড্ড বেশি কাড়াকাড়ি, তা ধিন- ধিনা ধিন- তা ধিন। বাহ্ অকারণে হাসাহাসি, কারণ পেলেই দাপাদাপি! ঘরের ঘোড়া ভুখা রেখে, পরের মহিষ হাঁকাহাঁকি। ০৬.০৭.২০২৬

চুপ (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
চুপ ============== মোঃ রহমত আলী ============== বারংবার একই মেঘ, মাথার ওপর ঘোরে! অশ্রু শুকাতেই, রক্তচক্ষু; ঘিরে ফের। বারংবার একই চোট, হাসি মুচকি; ক্ষত এঁটে! বরঞ্চ এই ভালো, বুঝেশুনে চিনে চুপ। ২৬.০৬.২০২৬ শুক্রবার ১০ই মহররম ১৪৪৮ হিজরী।

সীমা – (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
সীমা  ============== মোঃ রহমত আলী ============== আমি নিজে নিজেও চলি, দুনিয়াও আমায় চালায়, ন্যায়-অন্যায়, নিয়ম-অনিয়ম ভেদে। মালিক ছাড় দিয়ে সবই দেখছেন, তবে নিশ্চয়ই ছেড়ে দেবেন না। বাল্যকাল হতে আজ অবধি, চাঁদটা আমার সাথেই হাঁটছে, জলে-স্থলে, সর্বত্রই আপন মাত্রায়! নির্ধারিত সীমা অতিক্রম নিষিদ্ধ, তা সত্ত্বেও নির্বিঘ্নে সীমা লঙ্ঘন চলছে। ০১.০৭.২০২৬

আত্মার আকুতি (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
আত্মার আকুতি ============== মোঃ রহমত আলী ============== হে প্রভু — কেন বানালে আমায় না-হয়.. ঘাসফুলই বানাতে যদি তাও না.. তবে খাঁচায় বন্দী কোনো পাখিই বানাতে। হে প্রভু — ভালোই হতো যদি আমায় পদ্মফুল বা জলে ভাসা.. কচুরিপানাই বানাতে। হে প্রভু — আরো ভালো যদি আমায় মরুরবুকে কোনো বৃক্ষ বানাতে.. নয়তো মৌমাছি কিংবা তোমার জিকিররত পিঁপড়াই বানাতে। হে প্রভু — এ দুনিয়ায় না পাঠিয়ে আমায় প্রজাপতি বানিয়েই পাঠাতে তা-না-হলেও কোনো পাহাড়ের এক টুকরো পাথরই বানাতে। হে প্রভু — ক্ষমা চাই ক্ষমা সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ মাখলুক বানালেও মানুষের মতো না বানিয়ে যদি আমায় ইনসানই বানাতে।। ২০.০৬.২০২৬

মহারাজা (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
মহারাজা ============== মোঃ রহমত আলী ============== রাজা রাজা মহারাজা উজির-নাজির বাজায় বাজা এই সে গুণ সেই সে গুণ আমরা আছি তাই সে রাজা। রাজা রাজা মহারাজা প্রজা বলে কোন সে রাজা কই সে নুন কই সে গুণ আমরা বানাই তাই সে রাজা। রাজা রাজা মহারাজা ফকির বলে কে সে রাজা কোথায় রাজা কেমন রাজা আমিই তো আমার মনের রাজা। রাজার রাজা মহারাজা আজ যে ফকির কাল সে রাজা হেসে বলে পাগল-বাবা কে তবে রাজার রাজা মহারাজা? ১৬.০৬.২০২৬

ব্যথার বাহার (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
ব্যথার বাহার ============== মোঃ রহমত আলী ============== দুঃখগুলো জমতে জমতে আহা সুখ হয়ে যায় সুখ ছুঁয়ে ধরতে ধরতে দুঃখ আরো- নতুন হয়ে যায়। কষ্টগুলো হৃদয়ে দাফন মুখে হাসি আপনা-আপন ব্যথার বাহার কম কাহার অন্তরে হায়্ কথার পাহাড়। সুখ তাও থাক হাসি-মুখে দুঃখ যত- সব মনে মনে কষ্টের ভাগ নিজেতেই থাক ব্যথা সবার- এক সমান খাক। ০৬.০৬.২০২৬

সেলাই করা মুখ (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
সেলাই করা মুখ ============== মোঃ রহমত আলী ============== তারা মুখ খুলবে না কেননা তাদের তো পেট ভরা তারা শুধু শ্বাস নেয় কখনো দীর্ঘশ্বাস ফেলে না। তারা শুধু চেয়ে দেখবে কিন্তু দৃষ্টি মেলে চাইবে না কারণ স্বার্থটাই তাদের ঊর্ধ্বে তারা মগ্ন নিজেতেই সারাবেলা। তারা সব দেখে সব শুনে তবুও তারা মুখ খোলে না তারা শুধু সুরত দেখে যায় কিন্তু চেহারা আর মনে রাখে না। ২৩.০৫.২০২৬

জীবন দর্পণ (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
জীবন দর্পণ ============== মোঃ রহমত আলী ============== এ সাজসজ্জা, এ জীবনযাপন, এ চলাফেরা, সময়ের এক আয়না মাত্র; যার ওপর ছায়া পড়তেই সব স্মৃতির অতীত। এ জীবন সুখ-দুখ বয়ে প্রায় প্রান্তে, প্রতি নিঃশ্বাসে.. শ্বাস, প্রতি বিশ্বাসে.. দীর্ঘশ্বাস, তবু আশ্বাসে.. বাঁচে আত্মবিশ্বাস। এ লোক দেখানো হাসি, আর মুখ লুকানো কান্নাও অবসান; প্রাণ পাখি উড়ে যেতেই নিষ্ঠুর পরিণাম। ১৬.০৫.২০২৬

আশাবাদ

ছবি
আশাবাদ ============== মোঃ রহমত আলী ============== পাতা লড়ছে না বোধহয় ভেবো না হাওয়া বইবে না জল ঘোলা দেখে ভেবো না যে আর পরিচ্ছন্নই হবে না। কেবা আপন কেবা পর বিপদের দিনেই পরিচয় মেঘ জমে ছিল বলেই তো পথের পাথরও যায় তলায়। ঝড় এসে ঠিকই নিমিষেই আপদ-বিপদ উড়িয়ে দেবে আশাবাদী হয়ে থেকো বন্ধু নিশ্চয়ই ভালো কিছু হবে। ১৩.০৫.২০২৬

আপনা-আপন (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
আপনা-আপন ============== মোঃ রহমত আলী ============== আগুনে হাওয়া দেয় কানা.. গিলে খেতে চায় জানা-অজানা; দুনিয়াদারি আপন-পর কিচ্ছু চেনে না, বরফ আর ফুলেও হৃদয় নরম হয় না, শুধু স্বার্থেই অন্ধ রয়ে গেল সারা-কাল। স্বার্থের দরুন– ব্যবহার বাহ্ কী মধুর, স্বার্থ হাসিলেই– আচরণ আহ্ নিষ্ঠুর; নিজু ফায়দায় স্বার্থপর অভিনয়ে সু-দারুণ, মতলব ফুরাতেই হায়্ রূপ বদলায় নিদারুণ; নহে এরা কারো আপন, শুধু আপনা আপন। হাওয়ার আগে দৌড়ে যেতে চায়.. নিশ্চিত স্বর্গ ভাবে হাতের মুঠোয়; তবে.. মেঘ ভেঙে লুটাবে যখন হাওয়ার সাথে! তখন? ০৭.০৫.২০২৬

স্বচ্ছ কাঁচের দেয়াল (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
স্বচ্ছ কাঁচের দেয়াল ================ মোঃ রহমত আলী ================ মাঝখানে স্বচ্ছ কাঁচের দেয়াল, এধারে অসহায় মানবতা, আর.. ওধারে উৎফুল্ল অমানবিকতা; মাঝে শুধুই পাগলপারা হাহাকার! মানবেতর খোলা আকাশের নিচে ফুটপাতে, হায় মানবতা বন্দি আজ অ্যাকোয়ারিয়ামে; বিলাসিতায় উদ্বৃত্ত ছুড়ে ফেলে ডাস্টবিনে, অমানবিক হাসি হেসে ওরা সার্কাস দেখে! মাঝখানে দেয়াল.. তাও স্বচ্ছ কাঁচের! এদিকে নিপীড়িত নিথর মানবতা, আর.. ওদিকে উচ্ছ্বসিত নিষ্ঠুর অমানবিকতা! ০৬.০৫.২০২৬

মন্ত্রতন্ত্র (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
মন্ত্রতন্ত্র ============== মোঃ রহমত আলী ============== মন্ত্রী জানে তন্ত্র রাজা জানে মন্ত্র দেশে দেশে গণতন্ত্র। মন্ত্রক জুড়ে মন্ত্রণ মস্তক জুড়ে কুমন্ত্র জনমনে জ্বলে যন্ত্রণা। প্রজা চায় অন্ন রাজা চায় অনন্য পরিশেষে প্রজাতন্ত্র। রাজা হলো ধন্য প্রজা হলো নগণ্য কী শিক্ষা নবপ্রজন্ম! মুখে মুখে মন্ত্র মনে মনে তন্ত্র তলে তলে ষড়যন্ত্র। শাস্ত্রে ন্যায়মন্ত্র রাজ্যে ভ্রষ্টতন্ত্র কাজে-কর্মে মন্ত্রতন্ত্র। আইনে তন্ত্র কানুনে মন্ত্র বিধান ভেঙে তন্ত্রমন্ত্র। শাসনে একতন্ত্র শোষণে স্বৈরতন্ত্র জনগণের শোকতন্ত্র। নামে গণতন্ত্র চলে লোকতন্ত্র মূলমন্ত্র ব্যক্তিতন্ত্র। রাজ্য বড়ো যন্ত্র রাজা বড়ো তন্ত্র রাজকার্যে রাজতন্ত্র।। ০৫.০৫.২০২৬

নিবেদন (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
নিবেদন ============== মোঃ রহমত আলী ============== আমার জন্য নই আমি তোমার জন্যই আমি গলায় মালা আমার না-হয় তোমার গলায় দামি। ব্যাখ্যা দিতে না পারলেও মম আখ্যা দেবে তুমি কৃতিত্ব আমার না হলেও কর্তৃত্ব তোমার সবি। স্বপ্ন আমার ভেঙে যাক তোমার আশা পূরণ থাক বন্ধু আমার হইলো দেখা কথা শুধু দেওয়া নেওয়া। ০৪.০৫.২০২৫

আক্ষরিক উত্তরণ (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
আক্ষরিক উত্তরণ =============== মোঃ রহমত আলী =============== আক্কেল মোটেও নেই.. জল চিবিয়ে খাবো? নাকি গিলে! গুপ্তধনের লালসায় হাতের মুঠোয় থাকা রত্নও শেষমেশ খোয়ানোর উপক্রম! প্রেক্ষাপট অপেক্ষা সমীক্ষা ভিন্ন, ইতিহাস অভিন্ন সত্ত্বেও সাক্ষ্য গুরুত্বহীন। মহাকাল ভ্রমণের ফাঁকে, মাঝে মাঝে পিছু ফিরেও দেখতে হয়; কারণ.. অতীত মিটে যাবার নয়, ছায়া হয়ে চলে। আক্কেল হলেও হবে.. বর্ণমালা কারো গোলাম নয়, বরঞ্চ আমি বর্ণমালার প্রেমিক; অক্ষরে অক্ষর মিলে বাক্য! উচ্চারণ যাইহোক ইতিহাস একটাই। স্বীকৃত আক্ষরিক স্বাক্ষর ভিত্তিহীন নয়, প্রশ্নের ভেতরেই লুকায়িত উত্তর.. উপেক্ষা করেও প্রতীক্ষার উত্তরণ; লিখিত অলিখিত সাক্ষ্যপ্রমাণে পরীক্ষিত। ০৩.০৫.২০২৬

আবশ্যক। (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
আবশ্যক ============== মোঃ রহমত আলী ============== ডাল গলে না.. অথচ নুন, জল ছুঁতেই একাকার; চিন্তার ভাঁজ দেখে হেসে ওঠে ছায়া! ভালো ছিল যা কিছু— রোজ তলিয়ে নেয় ঢেউ; আবশ্যক বলেই চোখ কপালে তুলে— পায়ে হেঁটেই পার হতে হয় মহাসাগর। ধান পাকে নাই.. অথচ পোড়া-মরিচের ঘ্রাণে তৃষা জাগে; ফাগুনের ঠিক নেই, কবে আসে! এই বরষায় চুলো জ্বলে না, শুধু হয় ধোঁয়া; কবুতর তাও খুশি, সাদা মেঘ দেখে সুখী। ০২.০৫.২০২৬

সুবিধাবাদী (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
সুবিধাবাদী ============== মোঃ রহমত আলী ============== বাঁশি থাকে যার হাতে তার সুরে-সুর তোলে ঢোল বাজায় যে জন তার তালে-তালে বাজে সুযোগে চলে কাম যার হুজুগেই গুণগান তার বড়ো বড়ো বোল যার যতো গোল সব তার মাথা বেচে খায় যে ওয়াদা ভুলে যায় সে কথা গিলে নিলো যে হেরে গিয়ে জিতে সে ০১.০৫.২০২৬

মুখে-মুখে বয়স (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
মুখে-মুখে বয়স ============== মোঃ রহমত আলী ============== ​কী আর মূল্য আমার বলো কোলাহলের মধ্যে, বয়স শুধু মুখে মুখে বছর বছর ঘুরে। কমছে রোজ একেক করে, বলছে লোকে বাড়ছে ধীরে; আমার মতে শেষের দিকে। কী আর তুল্য আমার বলো মেঘ-বৃষ্টি আর জোয়ার-ভাটা, ঢেউয়ের সাথে যুদ্ধ করে বাঁচা। জীবন-খাতায় আঁকা শত ব্যথা, হাসি-কান্নায় লেখা যত কথা; সুখে-দুঃখে মাখা বয়সের ভাষা। ৩০.০৪.২০২৬

ফুল-বাহার (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
ফুল-বাহার =============== মোঃ রহমত আলী =============== ওরে ফুল কচুরিপানা, তোকে সবাই করে হেলা, তাও তোর অপরূপ ফুলে সবারই মন-ভোলা। ওরে ঘাসফুল তোর কী ভুল, সবাই যে তোকে পদতলে – পিষে দিতে রোজ হায় মশগুল। ওরে কাশফুল তোর কী মূল, সবাই দেখে পছন্দ করে খুব; তোকে ছুঁতে মন যে সবারই ব্যাকুল। ওরে ফুল সরিষা, তোর রূপে-গুণে তুই রঙিন; চোখ ধাঁধানো তোর অতুল্য কারিশমা। ওরে ফুল সূর্যমুখী, তুই তো দেখি ফুটেই সুখী; দেখে দেখে তোকে হেসে দেয় দুখী। ওরে ফুল গাঁদা, তুই রঙে রঙে গাঁথা হলদে মালা; তোর মাধুর্যে বিমুগ্ধতার সৌরভ মাখা। ওরে ফুল রজনীগন্ধা, তোর সুগন্ধে দিশেহারা সন্ধ্যা; শুভেচ্ছায় মুখর আনুষ্ঠানিকতা। ওরে ফুল-গোলাপ তুই কী শরাব, তোর খুশবুর হাওয়ায় সবাই মাতাল; তুই প্রিয় সবার, তোর প্রেমে মাতোয়ারা মন। ওরে ফুল জবা, কখন প্রিয় তুই কার বা; তোর খোঁজ তখনই — প্রয়োজন যখনই। আছে ফুলের বাহার আরো কতশত, পদ্ম, শাপলা, বেলি কিংবা হাসনাহেনা; লিখে শেষ হবে না কভু সৃষ্টিকর্তার মহিমা। ০৫.১২.২০২৩ / ২৯.০৪.২০২৬