পোস্টগুলি

মার্চ, ২০২৬ থেকে পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

কিছু কথা বলার ছিল (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
কিছু কথা বলার ছিল ================= মোঃ রহমত আলী ================= কিছু কথা বলার ছিল তবে শুনবে কে প্রলাপ! এসব শুনে কী লাভ? খেয়াল করলাম সেলাই করা কতগুলো মুখ, ফিসফিস করে মাঝে মাঝে বলে ওঠে – দায়িত্বজ্ঞানহীন ব্যবস্থা শোচনীয় অবস্থা! এসো তোমাদের মধ্যে থেকে.. সৎ বীর কেউ, এসে এই পতাকা শক্ত করে আঁকড়ে ধরো। কিছু কথা বলার ছিল তবে কে শোনে কথা কার! বলেই বা কী লাভ! দেখলাম ভুক্তভোগী গুমরে কাঁদে; শুনলাম নিপীড়িত বলছে জর্জরিত কণ্ঠে; স্বাধীন দেশে কেন নিরাপত্তাহীনতায় নাগরিক? কেনইবা আজও অনিরাপদ জনপথ? কেন রাষ্ট্র নীরব? কেন প্রশাসন নিথর? কিছু কথা আরো ছিল তবে বলা বারণ! বলেও লাভ নেই কোনো! বলতে শুনেছি বোবা-কণ্ঠে আকার-ইঙ্গিতে; সুশাসন ও ন্যায়বিচার আর অবশিষ্ট নেই, দুঃশাসনে নিমজ্জিত জাতি করুণ অবস্থায়, অব্যবস্থাপনায় গোটা—আমূল ব্যবস্থাপনা; নীতিভ্রষ্ট আজি দুর্নীতিগ্রস্ত পুরো মানচিত্র! আরো কিছু বলার ছিল তবে কোথায় বলবো? কাকে বলবো? কে দেখবে কে শুনবে? দায় কার দায়িত্ব কার? নিষ্ঠাবান কে? নীতিবান কে? দায়িত্ববান কে? তবে কোথায় কবে সমাধান? আর কবে…? ৩১.০৩.২০২৬

ডাক (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
ডাক ============== মোঃ রহমত আলী ============== ওহে অচেতন নাগরিক, হও আরো সচেতন, সুন্দরী কৃষ্ণচূড়া সমূলে উখড়াতে চায় যারা, তাদেরকে ঘিরে ধরো জনে জনে যুগান্তরে। এই রূপসী বাংলার অপরূপ ধরে রাখতে; জড়ো হও সবে হাতে হাত, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে, মিলেমিশে একসাথে পদে পদে সংগ্রামী হয়ে; একে-অপরের সাথী হলে উদ্ধার হবেই অরণ্য। ওহে নগরীর নাগরিক, হও আরো মানবিক, তোমাদের সম্মুখেই মেতে আছে যারা - নিত্যদিন ধ্বংস লীলায় হয়ে মাতোয়ারা। যে বনলতা তারা প্রতিনিয়তই করে উজাড়; চলো মোরা মুষ্টিবদ্ধ একত্রিত হয়ে সবে, বেঁধে দেই তাদেরকে বৃদ্ধ বটবৃক্ষের ছায়ায়; অতঃপর শিখিয়ে দেই তাদের তৃণলতার মায়া। ওহে সচেতন নাগরিক, হও আরো স্বাভাবিক, বোঝনা প্রকৃতি বাঁচলে তো আমরাও বাঁচবো; তবে কেন অবলীলায় হায় ক্রমাগত বৃক্ষ নিধন! পরিবেশবাদী ক্রমান্বয়ে যে জল ঢালে আগায়, তা কি পৌঁছায় কখনো শেকড়ের গোড় অবধি? তাও সচেষ্ট প্রচেষ্টায় মগ্ন হয়ে এই বিপর্যয় - রুখতে এসো আপনি মিলে প্রকৃতির প্রকৃত; পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় একাকার হই।। ২৪.০৩.২০২৬

বিধির-বিধান (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
বিধির-বিধান ============== মোঃ রহমত আলী ============== আজ আমার আকাশ-ভাঙা - সর্বোচ্চ দুখের তারিখ… বিধির-বিধানে বাইশটি বছর পেরিয়ে - আজই আবার ঈদের দিন। বাবা আমার পরপারে; আমরা এতিম দুনিয়াতে। ঈদের দিনে বাবা বিনে… নাইরে আমার পরাণে আর; সেই কালের ঈদের মতন - আজকালের ঈদের মিল। বড্ড দুখী ঈদের দিনেও আমি… তবুও হাসি সবাই যেন হয় খুশি।। ২১.০৩.২০২৬

মানুষ যদিও (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
মানুষ যদিও ============= মোঃ রহমত আলী ============= জানা ছিল না… জানলাম, মানুষ কী আছে? হয়তো…! মানুষের রঙ লাল নীল সাদা কালো আহা! দেখা ছিল না… দেখলাম, আরো মানুষ এই! সেইতো…! মানুষের রূপ রূপালী অপরূপ ঢঙ বাহ্! চেনা ছিল না... চিনলাম, আজ মানুষ কই? তাইতো...! মানুষের জন্য মানুষ বড়ো দুষ্কর আহ্! শোনা ছিল না… শুনলাম, মানুষ কী সেই? বেশতো…! তবুও মানুষ মানুষের কেউ যদিও হায়্! ১৮.০৩.২০২৬

হিসাব-নিকাশ (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
হিসাব-নিকাশ ============= মোঃ রহমত আলী ============= যেথায় যেমন হেথায় তেমন, মানুষের-মন হাওয়ার মতন; ছলে বলে কলে বদলে যায় যখন-তখন। যেথায় মায়া হেথায় মমতা, দেখায় যেমন নহে তেমন; যেমন-তেমন সমীকরণ জীবন-মরণ। যেথায় হারায় হেথায় খোঁজ, হিসাব-নিকাশ রোজ রোজ; যখন যেমন তেমন তবে মনের-দোষ। যেথায় আশা হেথায় হতাশা, যেথায় নিরাশা সেথায় ভরসা; খোলা-মনে মাথা পেতে নিলাম-ব্যর্থতা। ১৭.০৩.২০২৬

তৃষ্ণার্ত পরাণ (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
তৃষ্ণার্ত পরাণ ============= মোঃ রহমত আলী ============= যতটা আলোকিত রাত, ততটাই আঁধারে চাঁদ; তারাগুলো নিভু নিভু, জ্বলে আছে জোনাক। যতটা ছায়া দুঃখের বাদল, ততটাও সুখ নহে আপন; খুশিতে ধুঁয়ে যায় কাজল আনন্দ অশ্রুতে হাসে মন। যতটা জলে ডোবা প্রাণ, ততটাই তৃষ্ণায় মরে পরাণ; তবু পিপাসায় কাতর নয়ন, হায়্ মোহনায় জ্যোৎস্নার মরণ। ১০.০৩.২০২৬

কে আছে জাগ্রত (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
কে আছে জাগ্রত ============== মোঃ রহমত আলী ============== কারো আত্মা মৃত, কারো আত্মা ঘুমন্ত, মানবতা মানবতা বলে – চিল্লায়ে কী হবে বলুন তো? কেউ স্বপ্ন দেখে জেগে, কেউ স্বপ্ন খোঁজে খেটে, তবে কে আছে সত্যি জেগে? দেখানোর মানুষ সবাই সাজে!  কার আছে হিম্মত, কার মাঝে হিকমত, কে তবে আজ ইনসান? মানুষ তো দেখি স্বার্থে উন্মাদ! ০৭.০৩.২০২৬

সময় এখন যুদ্ধে যাওয়ার (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
সময় এখন যুদ্ধে যাওয়ার ================== মোঃ রহমত আলী ================== প্রেয়সী এখন প্রেমের সময় নয়, সময় এখন যুদ্ধে যাওয়ার; দেখো ঐ যে নিশান ডাকিছে আমায়। আজি রক্তে লাল ঐ মরু-ময়দান, আমিও জোয়ান, রক্ত মোর উত্তাল, দ্বীনের তরে হয়ে যাবো কুরবান; ওগো দাও বিদায়.. যেতে হবেই আমায়। প্রিয় এখন আর সময় নেই, এবার যেতে দাও আমায়, দেখো ঐ যে বীর যোদ্ধারা তৈয়ার, শোনো বাজিছে ঐ যে যুদ্ধের দামামা; যেতে হবে আমায়.. আমিও তৈয়ার। হয়ে শহীদ, নহে গাজী বীর, দেখা হবে ফিরে যদি আসি ফের। ওহে বন্ধু এবার বিদায়, ফিরি যদি.. ফের হবে দিদার। ০৩.০৩.২০২৬

সাজানো মানবিকতা (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
সাজানো মানবিকতা ================ মোঃ রহমত আলী ================ অতটা দেখানোর মতো মহৎ নই.. যতটা মানবিক মুখোশে ঢাকা মুখ হাসে; ঝরেপড়ার মতো অশ্রুও নেই বিন্দুমাত্র, তবে দীর্ঘশ্বাস আছে অবশ্য প্রতি শ্বাসে! যদিও যা কখনোই কোনো কাজের নয়; তাই তো অযথাই মাথা ঘুরে যায়, ক্ষণে ক্ষণে অভিনব বদলানো স্বার্থের কৌশলী অপরূপ নব নব রূপ দেখে। অতটা দেখানোর মতো মানবিক নই.. যতটা পাশবিক আচরণ হাসি মুখে সই। মন থেকে ফুল দেওয়া যদি হয় ভুল; বিশ্বাসের মাশুল হলেও হবে দ্বিগুণ। মনের ভেতর চলে কার কোন খেলা, প্রতিনিয়ত নিশ্বাসে নিশ্বাসে বিশ্বাস ভাঙে। সরলমনা সাজানো মানবিকতার ফাঁদে, হারিয়ে সম্বল-অবলম্বন শেষে হায় কাঁদে। যতটা মানবিক দেখায় ততটা নয়; অতটা আস্থা প্রকৃত বাস্তবতায় নয়।। ০২.০৩.২০২৬