পোস্টগুলি

কবিতা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

আপনা-আপন (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
আপনা-আপন ============== মোঃ রহমত আলী ============== আগুনে হাওয়া দেয় কানা.. গিলে খেতে চায় জানা-অজানা; দুনিয়াদারি আপন-পর কিচ্ছু চেনে না, বরফ আর ফুলেও হৃদয় নরম হয় না, শুধু স্বার্থেই অন্ধ রয়ে গেল সারা-কাল। স্বার্থের দরুন– ব্যবহার বাহ্ কী মধুর, স্বার্থ হাসিলেই– আচরণ আহ্ নিষ্ঠুর; নিজু ফায়দায় স্বার্থপর অভিনয়ে সু-দারুণ, মতলব ফুরাতেই হায়্ রূপ বদলায় নিদারুণ; নহে এরা কারো আপন, শুধু আপনা আপন। হাওয়ার আগে দৌড়ে যেতে চায়.. নিশ্চিত স্বর্গ ভাবে হাতের মুঠোয়; তবে.. মেঘ ভেঙে লুটাবে যখন হাওয়ার সাথে! তখন? ০৭.০৫.২০২৬

স্বচ্ছ কাঁচের দেয়াল (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
স্বচ্ছ কাঁচের দেয়াল ================ মোঃ রহমত আলী ================ মাঝখানে স্বচ্ছ কাঁচের দেয়াল, এধারে অসহায় মানবতা, আর.. ওধারে উৎফুল্ল অমানবিকতা; মাঝে শুধুই পাগলপারা হাহাকার! মানবেতর খোলা আকাশের নিচে ফুটপাতে, হায় মানবতা বন্দি আজ অ্যাকোয়ারিয়ামে; বিলাসিতায় উদ্বৃত্ত ছুড়ে ফেলে ডাস্টবিনে, অমানবিক হাসি হেসে ওরা সার্কাস দেখে! মাঝখানে দেয়াল.. তাও স্বচ্ছ কাঁচের! এদিকে নিপীড়িত নিথর মানবতা, আর.. ওদিকে উচ্ছ্বসিত নিষ্ঠুর অমানবিকতা! ০৬.০৫.২০২৬

মন্ত্রতন্ত্র (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
মন্ত্রতন্ত্র ============== মোঃ রহমত আলী ============== মন্ত্রী জানে তন্ত্র রাজা জানে মন্ত্র দেশে দেশে গণতন্ত্র। মন্ত্রক জুড়ে মন্ত্রণ মস্তক জুড়ে কুমন্ত্র জনমনে জ্বলে যন্ত্রণা। প্রজা চায় অন্ন রাজা চায় অনন্য পরিশেষে প্রজাতন্ত্র। রাজা হলো ধন্য প্রজা হলো নগণ্য কী শিক্ষা নবপ্রজন্ম! মুখে মুখে মন্ত্র মনে মনে তন্ত্র তলে তলে ষড়যন্ত্র। শাস্ত্রে ন্যায়মন্ত্র রাজ্যে ভ্রষ্টতন্ত্র কাজে-কর্মে মন্ত্রতন্ত্র। আইনে তন্ত্র কানুনে মন্ত্র বিধান ভেঙে তন্ত্রমন্ত্র। শাসনে একতন্ত্র শোষণে স্বৈরতন্ত্র জনগণের শোকতন্ত্র। নামে গণতন্ত্র চলে প্রজাতন্ত্র মূলমন্ত্র ব্যক্তিতন্ত্র। রাজ্য বড়ো যন্ত্র রাজা বড়ো তন্ত্র রাজকার্যে রাজতন্ত্র।। ০৫.০৫.২০২৬

নিবেদন (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
নিবেদন ============== মোঃ রহমত আলী ============== আমার জন্য নই আমি তোমার জন্যই আমি গলায় মালা আমার না-হয় তোমার গলায় দামি। ব্যাখ্যা দিতে না পারলেও মম আখ্যা দেবে তুমি কৃতিত্ব আমার না হলেও কর্তৃত্ব তোমার সবি। স্বপ্ন আমার ভেঙে যাক তোমার আশা পূরণ থাক বন্ধু আমার হইলো দেখা কথা শুধু দেওয়া নেওয়া। ০৪.০৫.২০২৫

আক্ষরিক উত্তরণ (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
আক্ষরিক উত্তরণ =============== মোঃ রহমত আলী =============== আক্কেল মোটেও নেই.. জল চিবিয়ে খাবো? নাকি গিলে! গুপ্তধনের লালসায় হাতের মুঠোয় থাকা রত্নও শেষমেশ খোয়ানোর উপক্রম! প্রেক্ষাপট অপেক্ষা সমীক্ষা ভিন্ন, ইতিহাস অভিন্ন সত্ত্বেও সাক্ষ্য গুরুত্বহীন। মহাকাল ভ্রমণের ফাঁকে, মাঝে মাঝে পিছু ফিরেও দেখতে হয়; কারণ.. অতীত মিটে যাবার নয়, ছায়া হয়ে চলে। আক্কেল হলেও হবে.. বর্ণমালা কারো গোলাম নয়, বরঞ্চ আমি বর্ণমালার প্রেমিক; অক্ষরে অক্ষর মিলে বাক্য! উচ্চারণ যাইহোক ইতিহাস একটাই। স্বীকৃত আক্ষরিক স্বাক্ষর ভিত্তিহীন নয়, প্রশ্নের ভেতরেই লুকায়িত উত্তর.. উপেক্ষা করেও প্রতীক্ষার উত্তরণ; লিখিত অলিখিত সাক্ষ্যপ্রমাণে পরীক্ষিত। ০৩.০৫.২০২৬

আবশ্যক। (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
আবশ্যক ============== মোঃ রহমত আলী ============== ডাল গলে না.. অথচ নুন, জল ছুঁতেই একাকার; চিন্তার ভাঁজ দেখে হেসে ওঠে ছায়া! ভালো ছিল যা কিছু— রোজ তলিয়ে নেয় ঢেউ; আবশ্যক বলেই চোখ কপালে তুলে— পায়ে হেঁটেই পার হতে হয় মহাসাগর। ধান পাকে নাই.. অথচ পোড়া-মরিচের ঘ্রাণে তৃষা জাগে; ফাগুনের ঠিক নেই, কবে আসে! এই বরষায় চুলো জ্বলে না, শুধু হয় ধোঁয়া; কবুতর তাও খুশি, সাদা মেঘ দেখে সুখী। ০২.০৫.২০২৬

সুবিধাবাদী (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
সুবিধাবাদী ============== মোঃ রহমত আলী ============== বাঁশি থাকে যার হাতে তার সুরে-সুর তোলে ঢোল বাজায় যে জন তার তালে-তালে বাজে সুযোগে চলে কাম যার হুজুগেই গুণগান তার বড়ো বড়ো বোল যার যতো গোল সব তার মাথা বেচে খায় যে ওয়াদা ভুলে যায় সে কথা গিলে নিলো যে হেরে গিয়ে জিতে সে ০১.০৫.২০২৬

মুখে-মুখে বয়স (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
মুখে-মুখে বয়স ============== মোঃ রহমত আলী ============== ​কী আর মূল্য আমার বলো কোলাহলের মধ্যে, বয়স শুধু মুখে মুখে বছর বছর ঘুরে। কমছে রোজ একেক করে, বলছে লোকে বাড়ছে ধীরে; আমার মতে শেষের দিকে। কী আর তুল্য আমার বলো মেঘ-বৃষ্টি আর জোয়ার-ভাটা, ঢেউয়ের সাথে যুদ্ধ করে বাঁচা। জীবন-খাতায় আঁকা শত ব্যথা, হাসি-কান্নায় লেখা যত কথা; সুখে-দুঃখে মাখা বয়সের ভাষা। ৩০.০৪.২০২৬

ফুল-বাহার (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
ফুল-বাহার =============== মোঃ রহমত আলী =============== ওরে ফুল কচুরিপানা, তোকে সবাই করে হেলা, তাও তোর অপরূপ ফুলে সবারই মন-ভোলা। ওরে ঘাসফুল তোর কী ভুল, সবাই যে তোকে পদতলে – পিষে দিতে রোজ হায় মশগুল। ওরে কাশফুল তোর কী মূল, সবাই দেখে পছন্দ করে খুব; তোকে ছুঁতে মন যে সবারই ব্যাকুল। ওরে ফুল সরিষা, তোর রূপে-গুণে তুই রঙিন; চোখ ধাঁধানো তোর অতুল্য কারিশমা। ওরে ফুল সূর্যমুখী, তুই তো দেখি ফুটেই সুখী; দেখে দেখে তোকে হেসে দেয় দুখী। ওরে ফুল গাঁদা, তুই রঙে রঙে গাঁথা হলদে মালা; তোর মাধুর্যে বিমুগ্ধতার সৌরভ মাখা। ওরে ফুল রজনীগন্ধা, তোর সুগন্ধে দিশেহারা সন্ধ্যা; শুভেচ্ছায় মুখর আনুষ্ঠানিকতা। ওরে ফুল-গোলাপ তুই কী শরাব, তোর খুশবুর হাওয়ায় সবাই মাতাল; তুই প্রিয় সবার, তোর প্রেমে মাতোয়ারা মন। ওরে ফুল জবা, কখন প্রিয় তুই কার বা; তোর খোঁজ তখনই — প্রয়োজন যখনই। আছে ফুলের বাহার আরো কতশত, পদ্ম, শাপলা, বেলি কিংবা হাসনাহেনা; লিখে শেষ হবে না কভু সৃষ্টিকর্তার মহিমা। ০৫.১২.২০২৩ / ২৯.০৪.২০২৬

মৃত আত্মা (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
মৃত আত্মা ============== মোঃ রহমত আলী ============== মৃত দেহ নয়, মৃত আত্মা – ঘুরছে শহরে, কঙ্কালের ওপর ভর করে; কথা বলে, প্রাণও আছে, তবে পরাণ নেই! যদিও চিৎকার দিতে জানে আপন ব্যথায়, তথাপি অন্যের আর্তচিৎকার শোনেও না। বিশ্বাস এক বড়ো অবিশ্বাসের পাহাড়; আত্মবিশ্বাস নেই কারো নিজ আত্মার! জীবিত বটে, তবে ঘুমন্ত – শ্বাসও নেয়, কিন্তু নিঃশ্বাস ফেলে না; দীর্ঘশ্বাস শোনে, তাও হৃদয় পোড়ে না! তথাপি নিজ সত্তাকেই চেনে না, জানে না! কী শর্তে, কোন কাজে, কেনই বা এসেছে? যদিও অন্ধ তো নয়, কার্যকলাপে জন্মান্ধ; চোখ খোলা দৃষ্টিহীন পুতুল, বাঁচে হাওয়া গিলে! ২৮.০৪.২০২৬

খোকা-খুকির আদর্শ (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
খোকা-খুকির আদর্শ ================ মোঃ রহমত আলী ================ বইছে হাওয়া দুলছে পাতা উড়ছে প্রজাপতি, বাঁশ বাগানের পাশে ঐ করছে খেলা গাঁয়ের খোকা-খুকি। চাঁদ উঠেছে চাঁদ উঠেছে জোছনা দীঘির জলে, লেখাপড়া করছে ঘরে খোকা-খুকি আপন মনোযোগে। রোজ বিহানে ঘুম ভাঙ্গিলে খুশি মনে প্রভুর জিকির করে, খোকা-খুকি সদা হাসি-খুশি শিক্ষা-দীক্ষায় আদব-কায়দা মানে। ২৭.০৪.২০২৬

আপাতত (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
আপাতত ============== মোঃ রহমত আলী ============== আপাতত ঘুমিয়েই থাকো, ভান্ডার সামলাবে চোর! জেগে উঠতেই খোলা দোর; করতে থেকো তখন শোর। আপাতত কোনো দীপ জ্বলছে না, কারণ সন্ধ্যা প্রদীপেও নিষেধাজ্ঞা! নেই স্লোগান, নেই কোনো মিছিল; তবে হ্যাঁ মানবিক হৃদয় ঠিকই পুড়ছে। আপাতত চোখ বন্ধই থাক, কী দরকার চোখ খুলে দেখার! দিবালকেও যখন শহর অন্ধকার; তবে রীতিমত অঘটন দেখতেই থাকো। ২২.০৪.২০২৬

ভুখা নাচ (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
ভুখা নাচ ============== মোঃ রহমত আলী ============== লণ্ঠন জ্বালানোর মতোন এক চামচও তেল নেই ঘরে প্রচন্ড ক্ষুধায়—রোদের তাপেই ঝলসানো রুটি বানাই। খাজনা পরিশোধ করতে রোজ রক্ত ঝরানো—ঘাম নিলাম করে দেই বাজারে। বাটখারায় মাপা সুখ ঘরে পেটে ভাত নেই—তাও সিংহাসন মাথায় তুলে নাচি। ২০.০৪.২০২৬

নাগরিক কান্না (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
নাগরিক কান্না ============== মোঃ রহমত আলী ============== তাদের পা দেখি কখনোই মাটিতে পড়ে না! সারাবেলা ডানা বিহীন আকাশেই ওড়ে। মানুষ খেটে-মরে রাতদিন বাঁচার-তাগিদে, আর ওদের লুটের ধান্দা মোটেও ফুরায় না! তাদের চোখ দেখি ভুলেও দৃষ্টি মেলে চায় না! কখনোই খেটেখাওয়া অসহায় মানুষের খোঁজে, নিরুপায় গরীব-দুখী তবুও চেয়ে তাদের পানে! অথচ তারা চাইলেই পারতো ভালোবেসে ছুঁতে। তাদের হাতও দেখি পৌঁছায় না ফুটপাত পর্যন্ত, কিঞ্চিৎ ছায়া হয়েও আজকাল ফকিরের ঘরে। আছে আরো কত নাগরিক কান্না ঘরে ঘরে, তাও শোনে না তারা দম্ভে আজও কানে। ১৯.০৪.২০২৬

অতএব (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
অতএব ============== মোঃ রহমত আলী ============== সমুদ্র স্থির আছে বলে ঢেউ যেওনা ছুঁতে, কিছু বলছি না বলে কাঁধে চেপো না ভুলে। ভাটা আছে দেখে সুযোগ নিওনা ছলে, চোখে দেখিনা বলে পথে পাথর দিওনা রেখে। মাথা নুইয়ে আছি বলে গলা ধরোনা ভাই চেপে, বোবা হয়ে আছি বলে ধোঁকা দিওনা জেনে। মাথার ওপর গাছ নেই বলে ভেবোনা ছায়া পাবোনা ফিরে।। অতএব মনে রেখো.. ঢেউ যেওনা ছুঁতে।। ১৬.০৪.২০২৬

মান—হুঁশ (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
মান—হুঁশ ============== মোঃ রহমত আলী ============== মানুষের চোখে অমানুষ দেখি; মানুষের ভিড়ে মানুষ খুঁজি। দুই পায়ে চলে কত শত যম, মানুষের মধ্যে মানুষ কতো কম! কবে ছিল মানুষ মানুষের বন্ধু? আজও দেখি চারপায়া কতো জন্তু! নামে নামে রূপে গুণে বহু গুণ; মানুষের হাতে হয় মানুষ খুন! মানুষের ঘরে অমানুষের জন্ম; অমানুষের মাঝে মান—হুঁশ অন্য! ১৪.০৪.২০২৬

নিষিদ্ধ প্রেম (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
নিষিদ্ধ প্রেম ============== মোঃ রহমত আলী ============== তাহলে ধরে নেব প্রেমটাই নিষিদ্ধ, শুদ্ধভাবে উচ্চারণ পর্যন্তই সীমাবদ্ধ; বড়ো নিঠুর, হায়্ সুদূর, তাও প্রেম-মধুর, লক্ষ্যহীন অলক্ষ্যে বসতি প্রাণের বক্ষে! প্রেমে আছে দ্রোহ, আছে বিদ্রোহ, আছে উন্মাদনা, পাগলপারা পাগলামী, প্রেম নিষিদ্ধ, পরিশুদ্ধ, আনমনা চিরযৌবনা, প্রেম মানে না শাসন—মানে না বারণ। মায়াজালে আটকে ভালোবাসা মরে, সুন্দর অসুন্দর অবহেলে প্রেমে মজে; প্রেমও পিপাসায় আহা পরাণ কাতর, আজও খুঁজে মরে মন পরশ পাথর! তাও কী ধরে নেব মায়াময় প্রেমটাও নিষিদ্ধ; শত জনমের ব্যর্থ সাধনা, অপূর্ণ হায়্ বাসনা! কভু পরাজয়, কভু হয় নিষিদ্ধ প্রেম মহাজয়, প্রেম মায়াবী কালো-রাত, না-হয় শুভ-সকাল।। ১২.০৪.২০২৬

প্রলেপ মাখা কাব্য (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
প্রলেপ মাখা কাব্য =============== মোঃ রহমত আলী =============== তাহলে কি ধরে নেবো কবিতার জন্ম বৃথা! না কি কবির জন্মটাই অযথা! এখন তো মনে হয় শুধু ঘাস খেতে হবে; ফুল-ফল তো দেখি সব চুরি হয়ে যাচ্ছে। ছন্দে ছন্দে বড্ড রঙ ঢঙ শুরু হয়েছে; প্রলেপ মাখা কাব্য হজম করাও দায়! এটা তো মির্জা গালিবের জামানা নয়; আর মীর সাহেব সে তো বহুত আগেই বিদায় নিয়েছেন.. তবে হ্যাঁ কাজী নজরুল এখনও আছেন মাখা-মাখা চেতনায়! তাহলে ধরে নেওয়া যাক সময়ের বিবর্তনে, এখন কি আসলেই আধুনিক যুগ! ও আসলে তাই তো.. তবেই তো দেখি; আজি খালি পেয়ালা শুধু-শুধু নাচে! সেই পুরাতন সুরে আর বাজে না গিটার, বাজে না একতারা, বসে না কাব্য-আসর; গলা নেই, গান নেই, নেই আজ সুরেলা-সুর, আছে শুধু বাহ্ ঢোল আর তবলা মধুর। ০৮.০৪.২০২৬

বেশতো.. (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
বেশতো..  ============== মোঃ রহমত আলী ============== বেশতো.. যখন ঘুমিয়েই আছে তাঁরা, তবে থাক ঘুমিয়ে.. জেগে ওঠার কী! আসলে খেলা খেলবে তাঁরা মেলা শেষে; আর আগুন নিভে গেলেই তো ছাই উড়াবে। বেশতো.. জেগে আছে যাঁরা, তাঁরাও বেশ মজা নিচ্ছে বা মজা দেখছে! তবে ঝড় উঠেছে যখন, থামবে তো; থেমে যেতে যেতে রেশ রেখে যাবে ঠিকই! বেশতো.. তবেই কলম আমারও থামবে না; লিখেই দেবে.. যা কিছু দেখা সত্য। তবুও যাঁরা এখনো অজ্ঞাতই থাকতে চায়, তবে থাক! কিন্তু ইতিহাস তো থাকবেই। ০৭.০৪.২০২৬

খোলস (মোঃ রহমত আলী)

ছবি
খোলস ============== মোঃ রহমত আলী ============== গলায় গলায় ভাব চোখে চোখে পাপ মুখে মুখে প্রণাম। কানে কানে কথা নাকে নাকে গোসা বুকে বুকে আশা। পায়ে পায়ে দোষ হাতে হাতে শোধ মনে মনে রোগ। কথায় কথায় বোকা মাথায় মাথায় পোকা কদম কদমে ধোঁকা। ০৬.০৪.২০২৬